
নিজস্ব প্রতিবেদক: সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর (হাড়িকোনা) গ্রামের স্বজ্জন ব্যক্তিত্ব মানবতার ফেরিওয়ালা তালাশ টিভির উপদেষ্টা লন্ডন প্রবাসী সৈয়দ রফিকুল হক’ কে মোবাইল ফোনে দেশে আসলে যুদ্ধ ঘোষনা করে দেখে নেওয়া ও বাড়ীঘর ভাংচুর করার হুমকি,এবং তাহার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার, এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছন রফিকুল হক এর আত্নীয়-স্বজনসহ স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার (২১মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবাদ লিপিতে তাহার পক্ষে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
খোজঁ নিয়ে জানাযায়, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে লন্ডন প্রবাসী রফিকুল হককে দূর্বল করতে সৈয়দ জহুরুল ইসলাম ও সৈয়দ ফয়জুল ইসলাম মোবাইল ফোনে এই হুমকি দেন। প্রকৃত পক্ষে রফিকুল হক কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সরাসরি যুক্ত নয়। তিনি গত ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিএনপি কে ভালো বেসে দেশে আসেন এবং ধানেরশীষের প্রার্থীর পক্ষে গণসংযোগ করেন। তিনি বিগত ১৫ বছর যাবৎ লন্ডনে একটি মসজিদের মোতওয়াল্লি হিসেবে সততার সহীত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী, তিনি অনেক অসহায় মানুষদের সহযোগিতা করে থাকেন। মানব সেবী ও সামজিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে তাহার আলাদা পরিচয় রয়েছে। লন্ডন কমিউনিটিতে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এরকম একজন সৎ মানবতার ফেরিওয়ালা ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপপ্রচার সিনেমাকেও হারমানিয়েছে। স্থানীয়রা বলেন সৈয়দ রফিকুল হক দেশে আসলে তাহার নিরাপত্তা দিতে পুলিশ প্রশাসনের নিকট উধাত্ত আহবান জানান। তারা বলেন অবশ্যই প্রশাসন নিরাপত্তার বিষয়টি গুরত্বসহকারে বিবেচনা করবে। সংবাদ প্রকাশের আগে তাহার বক্তব্য না নেওয়ায় স্বার্থের বিষয়টি পরিস্কার। একটি স্বার্থন্বেসী মহল নিজেদের আখের গোছাতে অন্যের ভালো কাজ সহ্য করতে না পেরে হুমকি ও অপপ্রচারে লিপ্ত।
এর আগে গত ১২ মে (মঙ্গলবার) দৈনিক জগন্নাথপুর পত্রিকায়পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে “জগন্নাথপুরে নির্বাচনী বিরোধে এমপি কয়ছর আহমদের সমর্থকের উপর হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এ ঘটনায় সৈয়দ রফিকুল হক ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে যে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। তাদের ভাষ্য, সৈয়দ জহর নিজেই পরিস্থিতিকে নাটকীয়ভাবে উপস্থাপন করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছেন।