1. news@ekhonsylhet.com : এখন সিলেট : এখন সিলেট এখন সিলেট
  2. info@www.ekhonsylhet.com : এখন সিলেট :
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তাহিরপুরে হিন্দু বাড়ী ও মন্দিরে হামলার বিচার দাবি এইচআরসিবিএম ‘র সিলেট রেঞ্জে জুন মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত কোম্পানিগঞ্জে পৈতৃক জমি ফেরত চেয়ে হতদরিদ্র গেদা মিয়ার আহাজারি শ্রমমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় দোয়ারাবাজারে নানা আয়োজনে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত দিরাই পৌরসভার প্রকৌশলীর অডিও ঘিরে তোলপাড় নরওয়ে রূপকথা: হলান্ড-ঝড়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ফেঞ্চুগঞ্জে আবার বালু উত্তোলনে তোড়জোড়, মুখবন্ধ সেই ইউএনও’র পর্তুগালের সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশী যুবক নিহত

কোম্পানিগঞ্জে পৈতৃক জমি ফেরত চেয়ে হতদরিদ্র গেদা মিয়ার আহাজারি

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে

কোম্পানিগঞ্জে মৌরশী জমি ফেরত চেয়ে হতদরিদ্র গেদা মিয়ার আর্তনাদ

 

কোম্পানিগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের ২নং পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ কলাবাড়ী গ্রামে। জোরপূর্বক জমি দখলে ব্যর্থ হয়ে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে সফিকুর রহমান (৫০) তাহার ছেলে ফয়ছল(৩০) আফজল(২৮) মোফাজ্জল (২৭) এর বিরুদ্ধে। ঘটনার সুত্রে জানা যায়,সফিকুর রহমান জমির সঠিক মালিকানার কোনো দলিল দেখাতে না পারলেও প্রায়ই তার আত্মীয় স্বজনেরা জমি দখলের চেষ্টা করেন। দখলে ব্যর্থ হয়ে তিনি দক্ষিণ কলাবাড়ী গ্রামের মৃত আব্দুছ সোবহানের ছেলে গেদা মিয়া (৫৫) বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী গেদা মিয়ার দাবি, উক্ত জমি তারা বৈধভাবে ওয়ারিশ সূত্রে ভোগদখল করে আসছেন। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কালাসাদেক মৌজার (১২০০ ও ১১৯৯ দাগ সংশ্লিষ্ট ভূমি নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত। ভুক্তভোগী গেদা মিয়া জানান,শফিকুর রহমানের মূল দলিল ও চৌহদ্দায়-পূর্ব দিকে মৃত জায়ফর মোড়লের ছেলে ধনাই মিয়া,উত্তর দিকে আরেক ছেলে মনু মিয়া,দক্ষিণে একই গ্রামের ইজ্জত উল্লাহ।চৌহদ্দা-১২০০.দাগ নম্বরে শফিকুর রহমানের জমি,কিন্তু ক্ষমতাধর দাপটে আমার নামীয় ১১৯৯ দাগের জমি নামজারি করে আত্মসাতের প্রচেষ্টায়। ১৬ বছর ধরে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি,প্রাননাশের হুমকি ধমকি দিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে গেদা মিয়া বলেন, বর্তমানে আমি আমার পরিবার ভয়ভীতি ও আতংকে রয়েছি।‘শফিকুর রহমান,আমার ভোগদখলে থাকা জমি থেকে উচ্ছেদ করতে চায়। অথচ আমার জায়গার সঠিক দলিলপত্র আছে বরং তার কোনো বৈধ দলিল নেই। এ ব্যাপারটি নিষ্পত্তির স্থানীয়ভাবে কয়েকবার সামাজিক বিচারে বসা হলেও শফিকুর রহমান কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেনি।’ অভিযোগ ভিত্তিহীন তিনি মামলায় যে দাগ ও দলিল নম্বর উল্লেখ করেছে, তা বাস্তবে এই জমির সঙ্গে মেলে না, তার দাবিকৃত জমি এটি নয়। কাগজপত্র তার জমির দাগ নম্বর ১২০০/ কিন্তু সে আমার ১১৯৯ দাগের জমি আত্মসাৎ করার প্রচেষ্টায় রীতিমতো হয়রানি করে যাচ্ছে। এপর্যন্ত শফিকুর রহমানের ১০টি মামলায় হয়রানির শিকার। কাগজেপত্রে পুরাতন ও বর্তমান বি.এস.পর্চা গেদা মিয়ার নামে রয়েছে। বিষয়টি সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে আশাবাদী ভুক্তভোগী গেদা মিয়ার। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিতে অভিযুক্ত শফিকুর রহমানের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি সিলেট শহরে আছি এ বিষয়ে আমি আদালতে মামলা করেছি, এখন আদালতই সিদ্ধান্ত দেবেন।’কয়েকটি মামলার রায় পেয়েছি বলে তিনি জানান।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট