1. news@ekhonsylhet.com : এখন সিলেট : এখন সিলেট এখন সিলেট
  2. : lf_T1sVb4bjAh5D :
  3. info@www.ekhonsylhet.com : এখন সিলেট :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হবে বিশ্ব Sweet Bonanza oynayarak şansını 💰 renkli makaralarda dene সিলেট ওয়াসার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী মেজরটিলায় পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস ইসলামপুর’ ক্যাম্পেইনও ডিজিটাল সেলফ সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বারে ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন ও সেফটি প্ল্যান সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে মতবিনিময় সিলেটে যুক্তরাজ্যগামী শিক্ষার্থীদের নিয়ে এএইচ জেড এসোসিয়েট এর প্রি-ডিপারচার প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত ‘কোয়ারি খুলে কর্মসংস্থান দিন’—আলেক তালুকদার এসএসসি পরিক্ষায় সাংবাদিক কণ্যা তাম্মির কৃতিত্ব পূর্ণ সাফল্য: অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা Bahis severlerin tercih ettiği güvenilir adres Mariobet giriş güncel sistemidir Youwin casino ile kayıpsız yatırım çekme yöntemleri

প্রভাব, নাকি প্রমাণের অভাব?

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের কদমতলী বাস টার্মিনালে সংঘটিত জোড়া খুনের মামলায় কয়েকজন শ্রমিক নেতাকে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে—এমন সংবাদ প্রকাশের পর এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)। পুলিশের দাবি, সংশ্লিষ্ট আসামিদের চূড়ান্তভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়নি; মামলাটি এখনও তদন্তাধীন রয়েছে।

সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমে ‘প্রভাব, নাকি প্রমাণের অভাব? সিলেটে জোড়া খুনের আসামি শ্রমিক নেতাদের অব্যাহতির সুপারিশ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার এসএমপি এ ব্যাখ্যা দেয়।

এসএমপি জানায়, গত ২৭ এপ্রিল বিকেলে দক্ষিণ সুরমা থানার কদমতলী বাস টার্মিনালে সিলেট জেলা মালিক সমিতির কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষ ও মারামারির ঘটনায় পরবর্তীতে ৬ মে দক্ষিণ সুরমা থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় ২৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তদন্ত চলাকালে কয়েকজন এজাহারভুক্ত আসামি দাবি করেন, ঘটনার সময় তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না এবং ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এ বিষয়ে তারা পুলিশ কমিশনারের কাছে আবেদন করেন। পরে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩এ ধারার বিধান অনুযায়ী তাদের বিষয়ে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এসএমপি জানায়, তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ, তথ্য-উপাত্ত ও পারিপার্শ্বিকতা পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে এজাহারের ১ নম্বর আসামি মইনুল ইসলাম, ২ নম্বর আসামি আলী আকবর রাজন, ৬ নম্বর আসামি আব্দুস শহীদ এবং ৭ নম্বর আসামি শামসুল হক মানিকের বিরুদ্ধে ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিতি বা সম্পৃক্ততার কোনো প্রাথমিক প্রমাণ পাননি। তদন্তে পাওয়া তথ্যে ঘটনার সময় তাদের অবস্থানও অন্যত্র ছিল বলে প্রতীয়মান হয়।

এসএমপির ব্যাখ্যায় আরও বলা হয়, এসব তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩এ ধারায় একটি অন্তর্বর্তীকালীন পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। তবে এটি কোনো চূড়ান্ত অব্যাহতি নয়।

পুলিশ বলছে, মামলার তদন্ত এখনও চলমান। পরবর্তী তদন্তে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত ও গ্রহণযোগ্য সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের নাম চূড়ান্ত পুলিশ প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসএমপি আরও দাবি করেছে, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রভাব নয়, বরং সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে। প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা এবং নিরপরাধ ব্যক্তিকে হয়রানি না করাই পুলিশের তদন্তের মূল লক্ষ্য।

একই সঙ্গে সংবাদ প্রকাশের আগে প্রকৃত তথ্য যাচাই-বাছাই করার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট