1. news@ekhonsylhet.com : এখন সিলেট : এখন সিলেট এখন সিলেট
  2. : lf_T1sVb4bjAh5D :
  3. info@www.ekhonsylhet.com : এখন সিলেট :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই বিরল পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হবে বিশ্ব Sweet Bonanza oynayarak şansını 💰 renkli makaralarda dene সিলেট ওয়াসার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী মেজরটিলায় পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস ইসলামপুর’ ক্যাম্পেইনও ডিজিটাল সেলফ সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বারে ফায়ার লাইসেন্স নবায়ন ও সেফটি প্ল্যান সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে মতবিনিময় সিলেটে যুক্তরাজ্যগামী শিক্ষার্থীদের নিয়ে এএইচ জেড এসোসিয়েট এর প্রি-ডিপারচার প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত ‘কোয়ারি খুলে কর্মসংস্থান দিন’—আলেক তালুকদার এসএসসি পরিক্ষায় সাংবাদিক কণ্যা তাম্মির কৃতিত্ব পূর্ণ সাফল্য: অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা Bahis severlerin tercih ettiği güvenilir adres Mariobet giriş güncel sistemidir Youwin casino ile kayıpsız yatırım çekme yöntemleri

সামান্য সচেতনতাই আমাদের প্রিয় নগরীকে জলাবদ্ধতামুক্ত ও বাসযোগ্য করে তুলতে পারে

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

সিলেট নগরীর ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাদামবাগিচা এলাকায় বহু ভবন বিল্ডিং কোড না মেনে নির্মাণ করা হয়েছে এবং অনেক বাড়ির সেপটিক ট্যাংকের বর্জ্য সরাসরি ড্রেন ও ছড়ায় ফেলা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)। এ অবস্থাকে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য গুরুতর ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করেছেন সিসিকের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

মঙ্গলবার সকালে বাদামবাগিচা এলাকা পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

সিসিক সূত্র জানায়, পরিদর্শনের সময় প্রশাসক এলাকায় অপরিকল্পিত ভবন নির্মাণ এবং ত্রুটিপূর্ণ পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার নানা চিত্র দেখেন। তাঁর মতে, বিল্ডিং কোড উপেক্ষা করে ভবন নির্মাণ এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনার কারণে নগরে জলাবদ্ধতা ও পরিবেশদূষণের ঝুঁকি বাড়ছে।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সেপটিক ট্যাংকের লাইন কোনোভাবেই সরাসরি ড্রেন বা ছড়ার সঙ্গে যুক্ত করা উচিত নয়। এতে ড্রেন দ্রুত ভরাট হয়ে যায়, দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং জীবাণু সংক্রমণের আশঙ্কা তৈরি হয়। একই সঙ্গে বাড়ি নির্মাণের সময় সরকারি বিধি মেনে পর্যাপ্ত জায়গা রাখারও আহ্বান জানান তিনি, যাতে পানি নিষ্কাশনে কোনো বাধা সৃষ্টি না হয়।

সিসিক প্রশাসক বলেন, “সামান্য সচেতনতাই আমাদের প্রিয় নগরীকে জলাবদ্ধতামুক্ত ও বাসযোগ্য করে তুলতে পারে। পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত নগর গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।”

তিনি নগরবাসীকে ছড়া ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলার আহ্বান জানান।

পরিদর্শনকালে প্রশাসক আগামী তিন মাসের মধ্যে ড্রেন ও ছড়ার সঙ্গে সংযুক্ত সব অবৈধ সেপটিক লাইন বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এদিকে একই দিন বাদামবাগিচা এলাকায় সিসিকের উদ্যোগে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালতের নেতৃত্ব দেন সিসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব। সেপটিক ট্যাংকের বর্জ্য পাইপের মাধ্যমে সরাসরি ড্রেন ও ছড়ায় ফেলার অভিযোগে কয়েকজনকে জরিমানা করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট ভবনের মালিকদের সতর্ক করা হয়।

বিশ্বজিত দেব বলেন, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ড্রেন ও ছড়ার সঙ্গে বেআইনিভাবে যুক্ত সেপটিক ট্যাংকের লাইন চিহ্নিত করে ধাপে ধাপে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবেশদূষণ রোধ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে এ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

পরিদর্শনের সময় সিসিকের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীনসহ করপোরেশনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট