
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সিলেট দক্ষিণ সুরমা উপজেলাবাসীসহ দেশ-বিদেশে অবস্থানরত সর্বস্তরের জনসাধারণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, বারবার কারা নির্যাতিত ও রাজপথের ত্যাগী বিএনপি নেতা, জিয়া পরিবারের আস্থাভাজন, সমাজসেবী সামছুল ইসলাম টিটু।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগের এক মহান ও ঐতিহাসিক মহিমা শেখায়। হযরত ইব্রাহিম (আঃ) ও হযরত ইসমাইল (আঃ) এর মহান ত্যাগের স্মৃতিবিজড়িত এই দিনটি আমাদের শিক্ষা দেয় কীভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজের প্রিয় বস্তুকে উৎসর্গ করতে হয়। পশুর কোরবানির পাশাপাশি আমাদের ভেতরের অহংকার, হিংসা, বিদ্বেষ, অন্যায় ও পঙ্কিলতাকে কোরবানি বা বিসর্জন দেওয়াই এই উৎসবের মূল লক্ষ্য।
কারা নির্যাতিত ও রাজপথের ত্যাগী এ বিএনপি নেতা বলেন, ঈদের আনন্দ যেন কেবল সমাজের উচ্চবিত্ত বা ধনীদের মাঝে সীমাবদ্ধ হয়ে না পড়ে। আমাদের চারপাশে অসংখ্য দরিদ্র, অসহায়, দিনমজুর ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ রয়েছেন। অর্থনৈতিক সংকটের এই সময়ে তাদের মুখে হাসি ফোটানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আসুন, আমাদের কোরবানির আনন্দের একাংশ যেন তাদের ঘরেও পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করি। ঈদের আনন্দকে সবার মাঝে বিলিয়ে দিয়ে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির এক অনন্য নজির স্থাপন করি।
দক্ষিণ সুরমার সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি তাঁর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, রাজনীতি ও সমাজসেবার মূল উদ্দেশ্যই হলো মানুষের কল্যাণ করা। আমি অতীতে যেমন আপনাদের প্রতিটি সুখে-দুঃখে ও দুর্যোগে পাশে ছিলাম, বর্তমানেও আছি এবং ভবিষ্যতেও আমৃত্যু আপনাদের পাশে থাকার প্রতিজ্ঞা করছি। আপনাদের ভালোবাসা ও দোয়াই আমার পথচলার একমাত্র প্রেরণা।
ভবিষ্যৎ দক্ষিণ সুরমা বিনির্মাণের স্বপ্ন প্রকাশ করে সম্ভাব্য এই উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বলেন, পবিত্র ঈদের এই সুবাতাসকে কাজে লাগিয়ে আমাদের সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। আসুন, ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হই। দল-মত নির্বিশেষে একটি সুশৃঙ্খল, বৈষম্যহীন, মাদক মুক্ত, সুন্দর ও আধুনিক দক্ষিণ সুরমা গড়ে তুলি, যেখানে প্রতিটি নাগরিক তাঁর ন্যায্য অধিকার ফিরে পাবেন।
শুভেচ্ছা বার্তায় রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবী সামছুল ইসলাম টিটু পবিত্র এই দিনে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সংহতি, দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি, শান্তি এবং কল্যাণ কামনা করেন। সেই সাথে দক্ষিণ সুরমাবাসীর সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও নিরাপদ ঈদ উদযাপন প্রত্যাশা করে আবারও সবাইকে ঈদ মোবারক জানান।