
মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক বলেছেন, সাহিত্য হলো সমাজের দর্পণ। আলোকিত সমাজ গঠনে সাহিত্যের কোনো বিকল্প নেই। ‘হৃদবন্ধন সাহিত্য পরিষদ’ গত পাঁচ বছর ধরে সিলেটের সাহিত্য অঙ্গনকে মুখরিত করে রেখে সুন্দর ও প্রগতিশীল সমাজ গঠনে ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। গুণীজন ও তরুণদের এই মেলবন্ধনতা সত্যিই প্রশংসনীয়। হৃদবন্ধন সিলেটের সাহিত্য অঙ্গণে আলোর দিশারী। আশা করি নতুন কমিটির হাত ধরে এই সংগঠন সামনের দিনগুলোতে তরুণ লেখক ও কবিদের আরও বড় প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে ভূমিকা রাখবে এবং আমাদের সাহিত্যকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
হৃদবন্ধন সাহিত্য পরিষদ’-এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও অভিষেক অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নগরীর নগরীর নাইওরপুলস্থ একটি অভিজাত হোটেলের সম্মেলনকক্ষে এই বর্ণাঢ্য আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও অভিখেশ উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক, বিশিষ্ট কবি ও গবেষক মুহিবুর রহমান কিরণ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সাহিত্য ও সমাজের নানা দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন লেখক ও গল্পকার জামান মাহবুব, লেখক ও সাংবাদিক লিয়াকত শাহ ফরিদী, কবি পুলিন রায়, কবি ও লেখক অমিতা বর্দ্ধন এবং লেখক ও সাংবাদিক ফারুক আহমদ।
সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ‘হৃদবন্ধন সাহিত্য পরিষদ’-এর সভাপতি হিমাংশু রায় হিমেল। অনুষ্ঠানমালা যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন ‘হৃদবন্ধন সাহিত্য পরিষদ’-এর সহ-সভাপতি সন্তোষ রঞ্জন পাল ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সন্দীপন শুভ।
বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক বারিন্দ্র দাস, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রুনা তালুকদার, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক জয়ন্ত দাস, সাহিত্য সম্পাদক লাভলী পুরকায়স্থ, প্রচার সম্পাদক মাহিন উদ্দিন জয়, কোষাধ্যক্ষ জসিম উদ্দন, সহ-কোষাধ্যক্ষ সাধন শর্মা, সদস্য মিহির মোহন, প্রশান্ত লিটন, অভিনয় সরকার, শ্যামল কপালী, বিকাশ আচার্য্য, হেমা দেবী, প্রমি দেবী, পপি ভৌমিক, আল আমিন সুমন আহমদ প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে আয়োজনের দ্বিতীয় পর্বে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ পর্বে গান, ছড়া, কবিতা আবৃত্তিসহ বিভিন্ন পরিবেশনা উপভোগ করেন সাহিত্যপ্রেমীরা। সিলেটের কবি, লেখক ও সাহিত্যপ্রেমীরা উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তুলেন।