1. news@ekhonsylhet.com : ekhonsylhet : এখন সিলেট এখন সিলেট
  2. : lf_T1sVb4bjAh5D :
  3. login@example.com : login :
  4. info@www.ekhonsylhet.com : এখন সিলেট :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৮ অপরাহ্ন

তিন কুনী বিলের বেরিবাঁধ নিয়ে বিরোধ: কৃষকের ক্ষতির আশঙ্কা, ইজারাদার ও অভিযুক্তদের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৯৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ২নং পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের ডালার পার ও নতুন জীবনপুর এলাকার মধ্যবর্তী তিন কুনী বিলকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করেছে। সম্প্রতি এলাকাবাসী গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করে জানান, বিলের ইজারাদারদের নির্মিত বেরিবাঁধের কারণে আশপাশের আবাদি বোরো জমি মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

স্থানীয় কৃষকদের দাবি, এই বেরিবাঁধের কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই ধানক্ষেতে হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি জমে যাচ্ছে। তারা আশঙ্কা করছেন, টানা একদিন ভারী বৃষ্টিপাত হলে শতাধিক কৃষকের প্রায় ২০০ কানি জমির বোরো ধান সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিলের ইজারাদার পক্ষ। ইজারাদার শামীম মিয়ার বাবা মোঃ সৈয়দ আলী ভূঁইয়া বলেন, “আমার ছেলে সরকার নির্ধারিত নিয়মে জলমহালটি ইজারা নিয়েছে এবং প্রতি বছর প্রায় ২১ লাখ টাকা ভ্যাট ও আয়কর বাবদ সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে থাকে। অথচ কিছু ব্যক্তি অবৈধভাবে পুকুর খনন করে মাছ আহরণ করছে।”

তিনি অভিযোগ করেন, হাতেম মিয়া গং ও আবুল বাশার গংসহ কয়েকজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখল ও কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। এ বিষয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে বলেও তিনি জানান। তার দাবি, মামলায় পরাজয়ের আশঙ্কা থেকেই প্রতিপক্ষ সাংবাদিকদের কাছে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছে।

সৈয়দ আলী ভূঁইয়া আরও বলেন, “কৃষকের ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজ আমরা করিনি এবং ভবিষ্যতেও করব না। এলাকাবাসী সরাসরি আমাদের কাছে কোনো অভিযোগও করেনি। করলে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতাম।”

তিনি আরও দাবি করেন, ‘ভাগ্নি মারা, ফলো জোড়া, ফুকা জোড়া’ নামক বিলগুলো দীর্ঘদিন ধরে তাদের দখলে নেই। এসব বিল অবৈধভাবে দখল করে ভোগ করে আসছে মুল্লুক মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া এছাড়াও এসব বিল অন্যদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন তিনি । বর্তমানে হাতেম আলী ও ফুল মিয়াসহ কয়েকজন ওই বিল নিয়ন্ত্রণ করছেন এবং তাদের কারণেই বাঁধ অপসারণ সম্ভব হচ্ছে না।

অন্যদিকে অভিযুক্ত বাবুল মিয়া বলেন, “আমরা কখনোই কৃষকের ক্ষতি চাই না। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। এলাকাবাসী চাইলে যেকোনো সময় এই বাঁধ কেটে দিতে পারে।”

এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে এ নিয়ে উদ্বেগ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে একদিকে কৃষিজমি রক্ষা পায় এবং অন্যদিকে চলমান বিরোধের একটি স্থায়ী সমাধান হয়।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট