1. news@ekhonsylhet.com : এখন সিলেট : এখন সিলেট এখন সিলেট
  2. info@www.ekhonsylhet.com : এখন সিলেট :
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিলেট দরগাহ মহল্লায় এম ডব্লিউ ফাউন্ডেশনের সেলাই মেশিন ও নতুন রিক্সা বিতরণ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট জকিগঞ্জ উপজেলা ও পৌরসভা কমিটি গঠনের লক্ষ্যে মতবিনিময় শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে নৈতিক মূল্যবোধ চর্চার বিকল্প নেই: সামছুল ইসলাম টিটু সীমান্তে ভারতের পুশইনের চেষ্টা বিজেপির নোংরা রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ: উবায়দুল্লাহ ফারুক সরকার দেশে আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর : কাইয়ুম চৌধুরী এনসিসি ব্যাংক কুমারপাড়া শাখার উদ্যোগে স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষরোপন অনুষ্ঠিত সিলেটে ব্র্যাকের রিটেইল সেলস প্রকল্পের এমপ্লয়ার মিটআপ অনুষ্ঠিত সিলেট সদর উপজেলা তাঁতীদলের আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের বাদাঘাটে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দীপ্ত রায় গ্রেফতার ও কারাগারে প্রেরণ শাহজালাল মাজারে ডিসি সারওয়ার, খুললেন দানবাক্স মাজারে জমা হলো ১৭ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকার বেশী

কোম্পানীগঞ্জে পুলিশের অভিযানে হাতকড়াসহ আসামির পলায়ন ও নাটকীয় আত্মসমর্পণ: স্বজনদের আটকে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৩১৬ বার পড়া হয়েছে

শফিকুল ইসলাম, কোম্পানীগঞ্জ  :: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় পুলিশের হেফাজত থেকে হাতকড়াসহ এক সাজাপ্রাপ্ত আসামির পালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর জিজ্ঞাসাবাদের নামে আসামির পরিবারের নারীসহ কয়েকজনকে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে স্থানীয় এক নেতার মধ্যস্থতায় আসামি আত্মসমর্পণ করলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ ২৫ মার্চ বুধবার সন্ধা ৭ ঘটিকায়। ২নং পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের মেঘারগাঁও গ্রামে ৫ বছরের সাজা ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আলী হোসেনকে (পিতা- মৃত হাবিব উল্লাহ) গ্রেপ্তার করতে অভিযানে যায় পুলিশ। একপর্যায়ে আলী হোসেন হাতকড়াসহ পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যান।

অভিযোগ উঠেছে, আসামি পালিয়ে যাওয়ার পর কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলামসহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযানে নামেন। এ সময় আসামিকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্য খাদিজা, সুমাইয়া, হাজেরা ও মানিক মিয়াকে পুলিশ আটক করে নিয়ে আসে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

আসামির স্বজনদের আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। সূত্র বলছে, প্রায় ৩ ঘণ্টা পর সিলেট মহানগর তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলী জিন্নার মধ্যস্থতায় আলী হোসেন ভোলাগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়িতে আত্মসমর্পণ করেন। আসামি ধরা দেওয়ার পর পুলিশ আটককৃত স্বজনদের ছেড়ে দেয়। রাত প্রায় ১১টার দিকে ওসির নেতৃত্বে আসামিকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়।

এ বিষয়ে মোহাম্মদ আলী জিন্না বলেন, “আসামি পালিয়ে যাওয়ার পর পুলিশ তার পরিবারের নিরপরাধ সদস্যদের তুলে নিয়ে আসে। পরে অনেক চেষ্টার পর আসামিকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে ওই ব্যক্তিদের ছাড়িয়ে আনি।”

এদিকে গত ২০ মার্চ শাহ আরফিন এলাকায় কালা মিয়া নামে আরেক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের সময় তিনি হাতকড়াসহ পালিয়ে যান বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, সে সময় কালা মিয়াকে না পেয়ে তার ৭৮ বছর বয়সী বৃদ্ধা মাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে স্থানীয় ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার সুজিত কুমার দাস পরিত্যক্ত অবস্থায় হাতকড়াটি উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করলেও ওই আসামিকে এখনো গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনার বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম খান জানান, আলী হোসেন ৪ মাসের (পুলিশের দাবি অনুযায়ী) সাজাপ্রাপ্ত আসামি। তাকে গ্রেপ্তার করার পর তিনি কৌশলে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তবে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানের মুখে আসামি আলীহুসেন আত্মসমর্পণ করে। স্বজনদের আটকের বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য না করলেও তিনি জানান, আসামি বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন এবং তাকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আদালতে পাঠানো হবে।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুই আসামির হাতকড়াসহ পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় পুলিশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সাধারণ মানুষকে জিজ্ঞাসাবাদের নামে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখার যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে পুলিশ এই অভিযানকে ‘সফল’ দাবি করে আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট