সিলেট মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা মনোনীত হওয়ায় আব্দুর রহিমকে সিলেট মহানগর হর্কাস ঐক্য কল্যাণ সমবায় সমিতি লিমিটেডের উদ্যোগে ফুলেল সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে নগরীর লালদিঘিরপাড়ে সমিতির কার্যালয়ে এ সংবর্ধনা অনষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সিলেট মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা আব্দুর রহিমকে ফুলের তোড়া ও ক্রেস্ট প্রদান করে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান সিলেট মহানগর হর্কাস ঐক্য কল্যাণ সমবায় সমিতি লিমিটেডের নেতৃবৃন্দ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক, মহানগর শ্রমিক দলের আহবায়ক ও মহানগর হর্কাস ঐক্য কল্যাণ সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি আব্দুল আহাদ, সিলেট মহানগর বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর শ্রমিক দলের সদস্য সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জীবন, সিলেট জেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব ও সংগঠনের সহ সভাপতি মোঃ নুরুল ইসলাম, সিলেট মহানগর বিএনপির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ও শ্রমিক দলের যুগ্ম আহবায়ক মো. খোকন ইসলাম, শ্রমিক দলের সদস্য ও সংগঠনের অর্থ সম্পাদক মো. শাহজান আহমেদ, সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এম এ শাহ আলম, সিলেট মহানগর শ্রমিক দলের দপ্তর সম্পাদক মোঃ কামরান সামি, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোঃ শাহজাহান সাজু, মোঃ জাবেদ আহমদ, মোঃ লিটন আহমদ, মো. মনু মিয়া, মোঃ তারেক আহমদ, মোঃ মুন্না আহমদ, মো. দিপু আহমদ, মোঃ ইলিয়াস মিয়া, মোঃ আবু কাসেম, মোঃ পকির আলী, মোঃ তিতাব আলী, মোঃ কাবুল আহমেদ, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ আলী, মোঃ সোহেল আহমদ, মোঃ গেদু মিয়া, মোঃ রহিম উদ্দিন পাটোয়ারী, মো. শফিক আহমদ প্রমুখ।
সংবর্ধিত ও প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা আব্দুর রহিম বলেন, আমি সবসময় রাজনীতিকে জনসেবা ও মেহনতী মানুষের অধিকার আদায়ের মাধ্যম হিসেবে দেখে এসেছি। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মূল নীতি ও আদর্শকে ধারণ করে দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় কাজ করে যাচ্ছি। সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে তাঁদের ভালোবাসা ও বিশ্বাস অর্জন করাই ছিল আমার মূল লক্ষ্য। আজকের এই আয়োজন ও আপনাদের অমলিন ভালোবাসাই প্রমাণ করে যে মেহনতী মানুষ দলের সাথে কতটা গভীরভাবে যুক্ত।
তিনি আর বলেন, আগামী দিনের যে কোনো রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক লড়াই-সংগ্রামে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। দেশ ও জাতির কল্যাণে দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।