সুমন আহমদ :: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ৬নং ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন ও পাড়া-মহল্লায় বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া। বিশেষ করে ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে—কে হবেন তাদের আগামী দিনের জনপ্রতিনিধি ও অভিভাবক?
এবারের নির্বাচনী আলোচনায় নতুন চমক হিসেবে উঠে এসেছেন তরুণ ও উদীয়মান ছাত্রনেতা এম. গিয়াস রানা। দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক, শিক্ষামূলক ও জনসেবামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তিনি ইতোমধ্যে এলাকার তরুণ সমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার উন্নয়ন, যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে গিয়াস রানাকে ঘিরে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং জনসাধারণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ তাকে একটি গ্রহণযোগ্য মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে বলে মনে করছেন অনেকেই।
এ বিষয়ে এম. গিয়াস রানা বলেন, আমি সবসময় এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। জনপ্রতিনিধি হওয়ার লক্ষ্য ক্ষমতা অর্জন নয়, বরং সাধারণ মানুষের সেবা করা। এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও তরুণদের কর্মমুখী উদ্যোগে সম্পৃক্ত করার জন্য কাজ করতে চাই। জনগণ যদি আমাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করেন, তাহলে তাদের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি, জনগণের মতামত ও অংশগ্রহণের ভিত্তিতেই একটি উন্নত ওয়ার্ড গড়ে তোলা সম্ভব। তাই সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।
এদিকে নির্বাচনী পরিবেশ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই ৭নং ওয়ার্ডের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হচ্ছে। তরুণ প্রজন্মের পাশাপাশি প্রবীণ ভোটারদের মধ্যেও এম. গিয়াস রানাকে নিয়ে আলোচনা বাড়ছে। ফলে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তিনি হতে পারেন অন্যতম আলোচিত ও সম্ভাবনাময় প্রার্থী—এমনটাই মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
তবে নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ওয়ার্ডের ভোটাররা শেষ পর্যন্ত কাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেবেন, সে সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামী দিনের নেতৃত্বের চিত্র। বর্তমানে ফতেপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে নির্বাচনী আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন তরুণ নেতা এম. গিয়াস রানা।