পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সিলেট জেলা ও মহানগরবাসী, দেশবাসী এবং প্রবাসে অবস্থানরত সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন উইমেন্স মডেল কলেজ সিলেটের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন (বিএমবিএফ) সিলেট বিভাগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং জাতীয় সদর দপ্তরের সমাজকল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব মনসুর আহমদ লস্কর।
এক ঈদ শুভেচ্ছা বার্তায় বিশিষ্ট এই শিক্ষানুরাগী ও মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে ত্যাগ, আত্মোৎসর্গ এবং মহান আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্যের এক অনন্য বার্তা নিয়ে আসে। হযরত ইব্রাহিম (আঃ) ও হযরত ইসমাইল (আঃ)-এর ত্যাগের মহান আদর্শকে ধারণ করে আমাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক জীবনকে সুন্দর করে তুলতে হবে। এই দিনটি আমাদের জীবনে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের এক অনন্য শিক্ষা দেয়। ঈদের এই পবিত্র দিন সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।
শিক্ষা ও মানবাধিকারের মেলবন্ধন তুলে ধরে তিনি বলেন, একটি শিক্ষিত ও সচেতন সমাজই পারে মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে। ঈদুল আজহার প্রকৃত শিক্ষা হলো নিজের ভেতরের অহংকার ও স্বার্থপরতাকে বিসর্জন দিয়ে মানবকল্যাণে কাজ করা। বর্তমান সময়ে আমাদের চারপাশের অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। আসুন, কোরবানির আনন্দ ও মাংস সবার মাঝে সমানভাবে বিলিয়ে দিয়ে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সামাজিক সাম্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করি।
পাশাপাশি পবিত্র এই উৎসবকে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশে উদযাপনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আলহাজ্ব মনসুর আহমদ লস্কর বলেন, কোরবানির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো আমাদের চারপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা। কোরবানি সম্পন্ন হওয়ার পরপরই নিজ দায়িত্বে বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা এবং দ্রুত অপসারণে স্থানীয় প্রশাসনকে সহযোগিতা করার জন্য আমি সিলেটবাসীর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানাচ্ছি।
শুভেচছা বার্তায় বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন (বিএমবিএফ) সিলেট বিভাগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং জাতীয় সদর দপ্তরের সমাজকল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব মনসুর আহমদ লস্কর সবাইকে নির্যাতিতদের পাশে থাকার জানান এবং সবার সুস্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও কল্যাণ কামনা করেন।