পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সুনামগঞ্জ জেলা ও জগন্নাথপুর উপজেলাবাসীসহ দেশ এবং প্রবাসে অবস্থানরত সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন (বিএমবিএফ) সিলেট বিভাগের সভাপতি এবং জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় স্বনামধন্য এই রাজনৈতিক ও মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব বলেন, ঈদুল আজহা আমাদের ত্যাগ, আত্মোৎসর্গ এবং মহান আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্যের এক অনন্য শিক্ষা দেয়। হযরত ইব্রাহিম (আঃ) ও হযরত ইসমাইল (আঃ) এর ত্যাগের আদর্শ আমাদের শেখায় কীভাবে নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে বৃহত্তর মানবতার কল্যাণ করা যায়। ঈদুল আজহা কেবল ধর্মীয় উৎসবের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়, এটি মানুষের ভেতরের অহংকার ও পশুবৃত্তিকে বিসর্জন দিয়ে সমাজে সাম্য ও প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার এক মহান শিক্ষা দেয়। ঈদের এই পবিত্র ক্ষণ সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।
সমাজে মানবাধিকার ও সামাজিক সুশাসনের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে সাধারণ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার এবং মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সমাজে মানুষের অধিকার সুরক্ষিত না থাকলে উৎসবের আনন্দ কখনো পূর্ণতা পায় না। তাই ঈদের এই পবিত্র ক্ষণে আমাদের প্রতিজ্ঞা হতে হবে- যেকোনো ধরনের অন্যায়, অবিচার, নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া।
আলহাজ্ব আতাউর রহমান আরও উল্লেখ করেন, ইসলামী আদর্শের মূল ভিত্তিই হলো মানুষের অধিকার বা ‘হক্বুল ইবাদ’ রক্ষা করা। আসুন, কোরবানি থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা প্রত্যেকে যার যার অবস্থান থেকে সমাজের অসহায়, দুস্থ, নির্যাতিত ও প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়াই। কোরবানির আনন্দ ও মাংস সবার মাঝে সমানভাবে বিলিয়ে দিয়ে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সাম্যের এক মানবিক সমাজ গড়ে তুলি।
শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি দেশ ও প্রবাসের সর্বস্তরের মানুষের সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।