1. news@ekhonsylhet.com : এখন সিলেট : এখন সিলেট এখন সিলেট
  2. info@www.ekhonsylhet.com : এখন সিলেট :
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
অসহনীয় বিদ্যুতের লোডশেডি বন্ধ না হলে ১১ মে প্রতিবাদ দিবস —- গ্যাস-বিদ্যুৎ গ্রাহক কল্যাণ পরিষদ তিন কুনী বিলের বেরিবাঁধ নিয়ে বিরোধ: কৃষকের ক্ষতির আশঙ্কা, ইজারাদার ও অভিযুক্তদের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য বিদেশে কর্মসংস্থানে প্রতারণা রোধে কঠোর সরকার, নতুন লাইসেন্স স্থগিত — মন্ত্রী আরিফুল হক তদন্ত কমিটির সুপারিশের পরও ২৬ দিন পার হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি সিলেটে গুরুকূল জ্ঞানগৃহের ‘গীতা স্কুল’ র শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় আটকে পড়া বড়চক বিদ্যালয় জাতীয়করণ সময়ের দাবি কোম্পানীগঞ্জে অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলনবিরোধী অভিযানে আটক ৬, দণ্ডিত ৫ — প্রশাসন ও পুলিশের কঠোর অবস্থানে স্বস্তি ছাতকে ফজল মিয়া হত্যা: প্রধান আসামি ‘ত্রাস’ হারুন র‍্যাব-৯ এর হাতে গ্রেপ্তার ইলিয়াস আলীসহ গুম হওয়া নেতাদের স্মরণে শাহজালাল (রহ.) মাজারে দোয়া মাহফিল সিলেটে পহেলা বৈশাখে বর্ণাঢ্য আয়োজন: এমসি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

তদন্ত কমিটির সুপারিশের পরও ২৬ দিন পার হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

সিসিক কর্মকর্তা চন্দন দাশের বিরুদ্ধে ২৫ কোটি টাকার রাজস্ব আত্মসাৎ সহ নানান দুর্নীতির অভিযোগ

এখন সিলেট ডেস্ক: সিলেট  সিটি করপোরেশনের (সিসিক) কর শাখায় বড় ধরনের জালিয়াতি ও অনিয়মের মাধ্যমে প্রায় ২৫ কোটি টাকার রাজস্ব আত্মসাতের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এই দুর্নীতির নেপথ্যে মূল কারিগর হিসেবে আঙুল উঠেছে কর ধার্য শাখার সাবেক প্রধান ও বর্তমানে মেয়র দপ্তরের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) চন্দন দাশের বিরুদ্ধে। তদন্ত কমিটির সুপারিশের পরও ২৬ দিন পার হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

 

সিসিকের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৯-১০ অর্থবছর থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছর পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার হোল্ডিংয়ের তথ্যে জালিয়াতি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১০টি হোল্ডিং অ্যাসেসমেন্ট রেজিস্ট্রারে তোলাই হয়নি, যার ফলে ক্ষতি হয়েছে ৫.৫ কোটি টাকা। ১৮৩১টি হোল্ডিং কম্পিউটারে এন্ট্রি না করে গত কয়েক বছরে প্রায় সাড়ে ১৯ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। আম্বরখানা এলাকার বাণিজ্যিক ভবন ‘আর্কাডিয়া’র কর নির্ধারণেও বড় ধরনের অনিয়মের সত্যতা পেয়েছে কমিটি। তদন্ত কমিটি এই বিপুল আর্থিক ক্ষতির জন্য চন্দন দাশ, সহকারী অ্যাসেসর শেখর দেবনাথ ও আহমদুজ্জামানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও মামলার সুপারিশ করেছে।

 

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সিসিকের সাধারণ কর্মকর্তা হয়েও চন্দন দাশ গড়ে তুলেছেন সম্পদের বিশাল সাম্রাজ্য। তার মালিকানাধীন উল্লেখযোগ্য সম্পদের মধ্যে রয়েছে চালিবন্দর এলাকার মাদানি সিটিতে একটি পাঁচতলা ভবন (যা স¤প্রতি প্রায় ২ কোটি টাকায় বিক্রয় করা হয়েছে) এবং শিবগঞ্জ এলাকায় ‘সাইফা সামিট’ ফ্ল্যাটে প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের সম্পদ। তার মালিকানায় চারটি ট্রাক এবং সিলেট ও আশপাশের এলাকায় নামে-বেনামে অসংখ্য জায়গাজমি রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি তার শ্যালিকার মাধ্যমে আমেরিকায় প্রায় শতকোটি টাকা পাচার করেছেন।

সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান এবং পরবর্তী সময়ে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর আস্থাবাজন হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় সিসিকে চন্দন দাশের একচ্ছত্র আধিপত্য তৈরি হয়। চালিবন্দর এলাকায় তার প্রভাবে সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে সাহস পায় না। বর্তমানে ওএসডি থাকলেও করপোরেশনের ভেতরে তার প্রভাব এখনো বিদ্যমান বলে জানা গেছে। রাজস্ব ফাঁকির এই বিশাল অঙ্ক উদ্ধার এবং অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিচার নিশ্চিত করতে নগরবাসী এখন উচ্চ মহলের হস্তক্ষেপের অপেক্ষায়।

সুত্রঃ DAILY SYLHETER SHOMOY

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট