মোশারফ হোসেন খান (অমিত) :: মাঠ কাঁপানো পরীক্ষিত জিয়া সৈনিক আব্দুস সামাদ লস্কর মুনিম— এবার আসন্ন কাউন্সিলে সিলেট জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি পদে একজন যোগ্য প্রার্থী।
ছাত্র রাজনীতিতে এই মুনিম লস্কর অতীত ইতিহাস অতিদীর্ঘ! দীর্ঘদিন যাবত রাজপথের একজন পরীক্ষিত সৈনিক হিসেবে কাউন্সিল সামনে আসায় তার নাম আলোচনার সামনের কাতারে চলে এসেছে। এই মানুষটি অত্যন্ত বন্ধুবৎসল ও অত্যন্ত পরোপকার প্রকৃতির, এক বাক্যে সবাই এই কথাটি না বলে পারবেন না!
ইতোপূর্বে সিলেটের রাজনীতিতে, রাজপথ আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় পরীক্ষিত জিয়া সৈনিক হিসেবে মুনিমের নাম ডাক আছে! সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের নেতা—কর্মীদের কাছে তিনি একজন আইকন হিসেবে পরিচিত।
দলীয় সূত্র থেকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়,ছাত্র নেতা আব্দুস সামাদ লস্কর মুনিম বিভিন্ন সময়ে সংগঠনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে তাকে একাধিকবার কারাবরণ ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। তবু তিনি আদর্শ থেকে বিচ্যুত না হয়ে সংগঠনের প্রতি নিজের অবস্থান দৃঢ় রেখেছেন।
সহকর্মীদের ভাষ্যে জানা যায়,, প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও আব্দুস সামাদ লস্কর মুনিম সংগঠনকে সু—সংগঠিত করতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। তৃণমূল পর্যায়ে তার গ্রহণযোগ্যতা এবং নেতৃত্বগুণ তাকে সভাপতি পদে একজন শক্ত প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আন্দোলন—সংগ্রামে সক্রিয় উপস্থিতি ও ত্যাগের ইতিহাস তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। এখন দেখার বিষয়, তৃণমূল নেতাকর্মীদের সমর্থনে তিনি কতটা এগিয়ে যেতে পারেন।
সিলেট জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে তাই এখন একটাই প্রশ্ন—আন্দোলনের রাজপথ থেকে উঠে আসা এই পরিক্ষিত নেতা কি নেতৃত্বের আসনে বসতে পারবেন? কথায় আছে রাস্তা সঠিক জানা থাকলে, কোনো ত্যাগ কখনো বিফলে যায় না।
ইনশাআল্লাহ, রাজপথের পরিক্ষিত সৈনিক প্রিয় বন্ধু,আব্দুস সামাদ লস্কর মুনিমকে আসন্ন কাউন্সিলে জাতীয়তাবাদী— ছাত্রদল কমিটিতে সঠিক মূল্যায়ন করবে বলে আমরা দারুনভাবে আশাবাদী।